বিদ্যুতচালিত গাড়িগুলি একসময় সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আধুনিক গাড়ি হিসেবে গৃহীত হয়েছিল, কিন্তু তাদের বিস্ময়কর উত্থানের পর দ্রুত পতন ঘটেছিল। ২০ শতকের শুরুতে বিদ্যুতের যানবাহনের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে দেখানোর চেষ্টা করব কিভাবে প্রযুক্তির একটি পরিবর্তন ঘটেছিল এবং কীভাবে সেই পরিবর্তন বাজারের মধ্যে তাদের উন্মোচিত করেছে।
১৯ শতকের শেষের দিকে এবং ২০ শতকের শুরুতে, বৈদ্যুতিক গাড়িগুলি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। ১৯০০ সালে, সারা বিশ্বে বিক্রি হওয়া গাড়ির ৩৫% বিদ্যুতচালিত ছিল, যেখানে অগত্যা তেলচালিত গাড়ির সংখ্যা ছিল মাত্র ৩২%। এটি ছিল বিদ্যুতের প্রথম বিস্ময়কর যাত্রা।
ভিডিও গেম, সোশ্যাল মিডিয়া এবং স্মার্টফোনের যুগে আমরা ভুলে গেছি যে আমাদের পূর্বপুরুষেরা নিজেও গেইমিং প্রযুক্তির প্রাথমিক মডেলদের সঙ্গে কিভাবে কাজ করেছিল। বিদ্যুতের গাড়ির উপকারিতা ছিল প্রচুর—বিশেষ করে শহুরে পরিবহনের জন্য। জর্জ ওয়াশিংটন কারভারের মৃত্তিকা প্রযুক্তিতে তার ব্যাপক অবদান রাখার পাশাপাশি বাইক এবং গাড়িতে বিদ্যুতের ব্যবহারও সাধন করেছিলেন।
বিদ্যুতচালিত গাড়ির কাছে সেই সময়ের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ছিল নিরাপত্তা, কম শব্দ উৎপাদন এবং নির্গমন মুক্ত চালনা। পুরো মৃত্যুর পরে গাড়ির মালিকরা অনুভব করতেন যে গাড়িগুলির মধ্যে আমরাও যেন কম রক্তপাতের আশা করতে পারি।
কারণগুলো নিয়ে ভাবা দরকার যে কেন সারা বিশ্ব অল্প সময়ে তেলচালিত গাড়ির প্রতি ঝুঁকে পড়েছিল। ১৯০৮ সালে হেনরি ফোর্ড এফ-১৫০ উত্পাদন শুরু করার পর থেকে হাতে হাতে বিক্রি হওয়া গাড়ির সংখ্যা আনুষঙ্গিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। এটি যতটা সম্ভব কম দামে গাড়ি তৈরির ধারণাকে বাস্তবায়িত করেছিল এবং শেষ পর্যন্ত বিদ্যুতচালিত গাড়িকে পিছনে রেখে দিয়েছিল।
তেল শিল্পের আধিপত্য বিস্তারের ফলে অনেক সংস্থা ও গবেষক বিদ্যুতের ব্যয়বহুল প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে ভয় পাচ্ছিলেন। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে বিদ্যুৎ তৈরি করা এবং পরিচালনার জন্য নতুন নতুন উদ্ভাবন খুব সম্ভব হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, টেসলা নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরায় বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রতি লোকের আগ্রহ ফিরিয়ে এনেছে।
তবে, বিদ্যুতচালিত গাড়ির উজ্জ্বল সম্ভাবনাকে সাধারণভাবে ভালভাবে বোঝা হয়নি। আমার দাদী বলতেন, "অতীতের ইতিহাস আমাদেরকে বর্তমানের সমস্যাগুলির সমাধান খুঁজে পেতে সাহায্য করে।" আমাদের গবেষণাগারে সেই ব্যাংক থেকে বেরিয়ে আসা গবেষকদের এই দুই দশকের মধ্যে গিয়ে দেখতে হবে কিভাবে আমরা উновাদন করব।
১৯২০ সালের পরে এমন একটি সময় এসেছে যখন বিদ্যুতচালিত গাড়ি বাতিল হয়ে যায় এবং তেলচালিত গাড়ি বাজারের ৯০% দখল করে। বিশ্বযুদ্ধের পরও অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছিল যা বৈদ্যুতিক গাড়ির উদ্যোগগুলোকে আর্থিকভাবে স্থবির করে দেয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সময়ে বিশ্বায়কৃত তেলচালিত গাড়ির জন্য একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। প্রায় তিন মিলিয়ন লোক বেশ কিছু ঐতিহাসিক শহরের মধ্যে এটি কেনার জন্য অপেক্ষা করেছিল। সুতরাং অনেকেই তেল ও গ্যাস বিষয়ক শিল্পে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছিল।
এখন কথা ভেবে দেখুন, ২১শ শতাব্দীর বিদ্যুতচালিত গাড়ির উদ্বোধন এক বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। অনেক নতুন কোম্পানি এলাকা সমৃদ্ধির সাথে সাথে লোকেদের পরিবহন পদ্ধতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছে।
অভিনব প্রযুক্তি যেমন: লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এবং সৌরবিদ্যুৎ শক্তি বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তার পুনর্জাগরণের উদাহরণ। বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য শক্তিশালী ব্যাটারি তৈরি করা হয়েছে, যা তাদের কাজের দিকে বিশাল পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে।
যদিও গত শতাব্দীর মধ্যে বিদ্যুত প্রয়োগ প্রযুক্তির এমন পথ এবং প্রয়োগ দেখেছে যার যাত্রা আজও চলমান, তবে আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আবারও সজাগ হই। বর্তমান সমাজ তেল এবং গ্যাসের উপর নির্ভরশীল এক জাতির বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ হচ্ছে নতুন ইতিহাসের সম্মুখ পৃষ্ঠায়।
সবশেষে, বিদ্যুতচালিত গাড়ির উত্থান ও পতনের গল্প কেবল টেকনোলজির পরিবর্তন নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যত দৃষ্টির মধ্যে সম্প্রসারণের গল্পও। ইতিহাসের বেশির ভাগ সময় আমরা ভুলে যাই, কিন্তু বিদ্যুৎ তার সঠিক স্থান আবার জয়ী হতে পারে—ঠিক যেমন একবার জয়ী হয়েছিল।